Fix Bengali Display Problem in Google Chrome


The latest update of Google Chrome has raised / widespread a Bangla text display issue. Many of the users see broken texts on their Google Chrome browser. Here is a way to solve this problem.

Go to Settings > Show Advanced Settings > Web content > Customized fonts


Google Chrome Settings Menu
Google Chrome Show Advanced Settings
Google Chrome Customize Fonts

And select ‘Kalpurush’ for Serif font and ‘Siyam Rupali’ for ‘Sans-serif font. 
*** If you don't have font then download from here   and install it.

2014-10-23_15-37-30

Extra Steps (Windows Only):

1. Open Google Chrome and type chrome://flags in the URL bar and hit enter to load.
2. Now look for the title that says Disable DirectWrite. If you can’t find it then type chrome://flags/#disable-direct-write in the URL bar and press enter button.
3. Click on Enable button to disable it.
4. To make the changes to take effect click on Restart now to restart Google Chrome.
That should solve the Bangla display problem. You can also try to change fonts on other category as well to suffice you needs.

অপেরা মিনিতে কিভাবে ফেসবুকের বন্ধুদের নাম ট্যাগ/mention করবেন?

আমরা পিসিতে অথবা এন্ড্রয়েড এর ফেসবুক এ্যপসে সহজেই @ চিহ্ন ব্যবহার করে কারো নাম ট্যাগ বা mention করতে পারি। কিন্তু যারা অপেরা মিনি ব্যবহার করি তাদের ক্ষেত্রে এভাবে সেটা আর করা যায় না। মন খারাপ করার কিছু নেই। অপেরা মিনি ব্যবহার করেও আপনি আপনার কমেন্ট বা স্টাটাসে আপনার বন্ধুদের নাম ট্যাগ/mention করতে পারবেন। কিভাবে সেটা করবেন জানা যাকঃ


 ১। প্রথমে যে বন্ধুর নাম আপনার কোন স্টাটাস বা কমেন্টে ট্যাগ বা mention করতে চান সেই বন্ধুর প্রফাইল ID টা কপি করতে হবে।





প্রফাইল ID কিভাবে পাবেন?
ক) প্রফাইল ID পেতে হলে তার প্রফাইলে যান, তারপর address bar এর URL থেকে ঐ বন্ধর প্রফাইল ID টা পেয়ে যাবেন। যেমনঃ www.facebook.com/profile.php?id=100000203439316

“id=” এর পর যে নম্বর গুলো আছে সেটা প্রফাইল ID। অর্থাৎ এখানে প্রফাইল ID টা হল 100000203439316

খ) কারো যদি user name সেট করা থাকে তাহলে প্রফাইলে গেলে তার প্রফাইল ID এর বদলে তার  user name  দেখাবে। সেক্ষেত্রে তার প্রফাইল পিকচারে ক্লিক করুন তারপর নিচের address মত url পাওয়া যাবেঃ
https://www.facebook.com/photo.php?fbid=100000203439316&set=a.
এক্ষেত্রে fbid= এর পর যেটা আছে সেটাই প্রফাইল ID। এখানে 100000203439316 টা প্রফাইল ID।

২। এখন স্টাটাসে অথবা কমেন্টে বন্ধুর নাম ট্যাগ বা mention করতে নিচের format অনুযায়ী লিখতে হবে। যেমনঃ --------
@[Profile ID:] যা স্টাটাসে বা কমেন্টে লিখতে চান সেটা
@[100000203439316:] দোস্ত কেমন আছো?

 





উইন্ডোজ সেভেনের জানা অজানা কিছু কীবোর্ড শর্টকাট



1. Windows Key + Tab : সকল ট্যাব থ্রিডি আকারে ওপেন হবে ।
2. Windows Key + E : My Computer ওপেন হবে ।
3. Windows Key + R : Run Command ওপেন হবে ।
4. Windows Key + F : Search অপশন ।
5. Windows Key + X : Mobility Center ওপেন হবে ।
6. Windows Key + L : Lock Computer
7. Windows Key + U : Ease of Access ওপেন হবে ।
8. Windows Key + P : Projectors
9. Windows Key + T : Taskbar Items thumbnail দেখাবে ।
10. Windows Key + S : OneNote Screen Clipping Tool
11. Windows Key + M : Minimize All Windows
12. Windows Key + D : Show/Hide Desktop
13. Windows Key + Up : Maximize Current Window
14. Windows Key + Down : Restore Down / Minimize
15. Windows Key + Left : Tile Current Window to the Left;
16. Windows Key + Right : Tile Current Windows Right
17. Windows Key + # (# is any number) : taskbar প্রোগ্রাম ওপেন হবে।
18. Windows Key + = : Launches the Magnifier
19. Windows Key + Plus :Magnifier Zoom in
20. Windows Key + Minus :Magnifier Zooms out
21. Windows Key + Space : desktop show করবে।



Windows Explorer এ থাকা অবস্থায়ঃ
22. Alt + Up: Go up one level
23. Alt + Left/ Right: Back/ Forward
24. Alt + P: Show/hide Preview Pane
Taskbar অপশন
25. Shift + Click on icon: new ট্যাব এ ওপেন হবে ।
26. Middle click on icon: new ট্যাব এ ওপেন হবে ।
27. Ctrl + Shift + Click on icon: Open a new instance with Admin privileges
28. Shift + Right-click on icon: Show window menu
29. Shift + Right-click on grouped icon: Menu with Restore All / Minimize All / Close All, etc.
30. Ctrl + Click on grouped icon: Cycle between the windows (or tabs) in the group

ফেসবুকে যে ৭ ধরণের কথা ভুল করেও শেয়ার করবেন না



ইন্টারনেট ব্যবহার করতে গিয়ে আপনি নিশ্চয়ই এমন কিছু মানুষের দেখা পেয়েছেন যারা ঠিক বুঝে উঠতে পারেন না কী ধরণের তথ্য সবার সামনে উপস্থাপনা করা উচিত, আর কি উচিত না? এমনকি আপনার নিজেরও অনেক সময় এমনটা হতে পারে। ফেসবুকে একটি পোস্ট দেবার পর নিজের নির্বুদ্ধিতায় অবাক হয়ে যেতে পারেন নিজেই।

ভাবছেন, ফেসবুক তো ফেসবুক! একটা হালকা বিনোদনের মাধ্যম। এখানেও বুঝে শুনে কথা বলতে হবে? সত্যটা হচ্ছে, এখানেই সবচাইতে বেশী বুঝে কথা বলতে হবে। কারণ এটা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম আর সবার জন্য উন্মুক্ত। এখানে একটা কথা বলে আপনি হতে পারেন সবার হাসির পাত্র, নিজেকে ফেলে দিতে পারেন একটা বিপদে, এমনকি থানা-পুলিশের ঝামেলাতেও জড়িয়ে যেতে পারেন নিজের অজান্তেই! দেখে নিন কী ধরণের তথ্য কখনোই ফেসবুকে পোস্ট করা উচিত নয়!

১) আপনার কোনো অপরাধের প্রমাণ
ফেসবুক এখন সব ধরণের মানুষের কাছে চলে গেছে। আর এমন ঘটনা হরহামেশাই শোনা যায় যেখানে কোনো এক চোর বড়াই করে তার চুরির ঘটনা এবং চুরি করা জিনিসের ছবি ফেসবুকে আপলোড দিয়ে ফেলেছে এবং ফলশ্রুতিতে ফেঁসে গেছে। আমরা বলছি না আপনিও তাদের দলেই পড়ছেন। তবে ছোটখাটো অপরাধ, যেমন পরীক্ষায় বন্ধুর খাতা টুকলিফাই করে লেখার ব্যাপারটা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিতে যাবেন না। কারণ এখন শিক্ষকদেরও হরহামেশাই ফেসবুকে দেখা যায়। একইভাবে আপনি অমুক নামজাদা “গ্যাং” এর সদস্য, তমুক সন্ত্রাসীর সাথে আপনার গলায়-গলায় ভাব, এসব নিয়ে পোস্ট দিতে গেলেও বিপদে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।


২) আক্রমণাত্মক মন্তব্য
যে কোনো ব্যাপারে আপনার নেতিবাচক ধারনা এবং মতামত থাকতেইই পারে। তাই বলে ফেসবুকে তা নিয়ে বাড়াবাড়ি করাটা মোটেই ভালো নয়। বরং তাতে আপনার অপ্রাপ্তবয়স্ক মানসিকতার প্রকাশ পায়। আর এর ফলে একে একে আপনার বন্ধুরাও আপনার পোস্টের প্রতি মনোযোগ দেওয়া বন্ধ করে দিতে পারেন।
৩) একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য
অনলাইনে কিছু তথ্য প্রকাশ করাতে কোনোই বাধা নেই। যেমন আপনার গ্র্যাজুয়েশন, এনগেজমেন্ট, বিয়ে, সন্তানের জন্ম, নতুন চাকরি পাওয়ার সুখবর ইত্যাদি। এসব নির্দোষ তথ্য জানতে পারলে খুশীই হবেন আপনার ফ্রেন্ডলিস্টের মানুষেরা। কিন্তু এমনও কিছু ব্যাপার আছে যা সবাইকে জানিয়ে না বেড়ানোই ভালো। যেমন খুব হঠাৎ করে কারো মৃত্যুবরণের দুঃসংবাদ, বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনা, পরিচিত কারো অসুস্থতা ইত্যাদি।

৪) অপ্রাসঙ্গিক “লাইক” পাওয়ার চেষ্টা
এমনটা হরহামেশাই দেখতে পাই আমরা, লাইক-লোভী কিছু পেইজ মানুষের অনুভূতির ফায়দা নিয়ে লাইক পাওয়ার চেষ্টা করে থাকে। একটি হৃদয়স্পর্শী ঘটনার বর্ণনা দিয়ে এরপর লেখা হয়, “গল্পটি পছন্দ হলে লাইক/শেয়ার করুন”। ব্যাপারটি সহনীয়তার মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তখনই যখন মৃত্যু অথবা দুর্ঘটনার মতো ব্যাপারগুলো নিয়ে এভাবে লাইকের ব্যবসা চলে। ভুলেও এমন কিছু করে অন্যদের চোখে নিজেকে ছোট করবেন না।

৫) অন্য কারো ব্যাপারে এমন তথ্য যা পোস্ট করলে সে বিরক্ত হতে পারে
আপনার নিজের ব্যক্তিগত তথ্য আপনি পোস্ট করতে পারেন কোনো তোয়াক্কা ছাড়াই, এতে ক্ষতিগ্রস্ত কেবল আপনিই হবেন। কিন্তু যখন ওই পোস্টে অন্য কারো ব্যক্তিগত তথ্য থাকবে তখন ভুলেও তার সম্মতি ছাড়া তা প্রকাশ করতে যাবেন না। এতে ওই মানুষটি তো বিরক্ত হবেনই, উপরন্তু আপনার নির্বুদ্ধিতার কারণে তার বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। এছাড়া বন্ধুদের মাঝে ঝগড়ার ব্যাপারটাও ফেসবুকে নিয়ে না আসাই ভালো।

৬) এমন তথ্য যা আপনার চাকরি চলে যাওয়ার কারণ হতে পারে
আপনার অফিসের অনেকেই থাকতে পারেন ফেসবুকে। আর তাই নিজের ব্যক্তিগত জীবনের স্পর্শকাতর ব্যাপারগুলো ফেসবুকে পোস্ট না করাই ভালো। এমনও হতে পারে যে আপনার কর্মকর্তা আপনার ব্যাপারে খারাপ কিছু দেখলেন এমন আপনাকে ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন। এছাড়াও নতুন চাকরি পাওয়ার খেত্রেও নেতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে এমন সব পোস্ট। তাই থাকুন পোস্ট করার ব্যাপারে সতর্ক।

৭) এমন কিছু যা সমাজের চোখে গ্রহণযোগ্য নয়
ফেসবুকে আপনার যেসব বন্ধু আছে, তারাও কিন্তু আপনার সমাজেরই অংশ। এমন কিছু করবেন না যাতে তাদের মাঝে আপনার সম্পর্কে বিরূপ ধারণা তৈরি হয়। বিশেষ করে তাদের ধর্মানুভুতি বা নৈতিকতায় আঘাত করে এমন কিছু পোস্ট না করাই ভালো।

সূত্র: প্রিয় লাইফ

কোন সফটওয়ার ছাড়াই সহজে ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করুন

আমাদের অনেক সময়ই YouTube ভিডিও ডাউনলোড করার প্রয়োজন পড়ে আবার ডাউনলোড নিয়ে ঝামেলাই পড়তে হয়। তাই আজ জেনে নিন, কিভাবে  আপনি কোন সফটওয়ার ছাড়াই সহজে  ইউটিউব থেকে বিভিন্ন ফরমেটের ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।।


১। প্রথমে    https://www.youtube.com    এ যান ।।

youtube

২। এখন আপনার দরকারি ভিডিও টা বের করে লিঙ্ক টি কপি করুন..

Capturesss

৩। তারপর এই লিঙ্ক এ যান, কপি করা লিঙ্ক টা পেস্ট করুন এবং কনটিনিউ  করেন ।

Capturessssss

৪। আপনার পছন্দের  Video Resolution Format টি মার্ক করে ডাউনলোড এ ক্লিক করেন কাজ শেষ।

Capturesssssssss

অন্যের মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে ফেসবুক লগ আউট করতে ভুলে গেলে কি করবেন!

কোন কোন সময় এমন হয় যে, কোন সাইবার ক্যাফের কম্পিউটার বা অন্য কার কম্পিউটারে ফেসবুক লগইন করেছেন কিন্তু আসার সময় বিদ্যুৎ চলে গেছে বা আপনি লগ আউট করতে ভুলে গেছেন বা কারো মোবাইল থেকে ফেসবুক লগইন করেছেন লগ আউট করতে ভুলে গেছেন। এটা একটি বিশাল বিপদ। এখন যে কেউ ওই কম্পিউটার বা মোবাইল দিয়ে আপনার ফেসবুক আক্সেস করতে পারবে । এখন আপনি কি করবেন?
 আবার ওই কম্পিউটার বা মোবাইল এ গিয়ে লগ আউট করে আসবেন !! নাহ, ফেসবুক সিকিউরিটি এর দউলতে এটা আপনাকে করতে হবে না । আপনি আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেই ঐ কম্পিউটার বা মোবাইল এর ফেসবুক লগ আউট করতে পারবেন।


এজন্য যা করতে হবে দেখে নিন ……
১. প্রথমে আপানার PC বা MOBILE থেকে ফেসবুক এ লগইন করুন।
২. এবার Account Setting এ যান।
৩. তারপর Security অপশনের Where you're logged in এই অপশনটার edit -এ ক্লিক করুন
৪. এখন edit   এ আপনার চলতি PC এর তথ্য দেখাবে আর তাছাড়াও আপনার একাউন্টটা সক্রিয় আছে এমন কম্পিউটারের সময়, ডিভাইসের নাম, কোন শহর, আইপি কত, কোন ব্রাউজার, কোন অপারেটিং সিস্টেম তা দেখাবে।
৫. এবার ঐ আগের কম্পিউটার লগ আউট করতে End Activity ক্লিক করুন তাহলেই Computer থেকে লগ আউট হয়ে যাবে।
বিঃদ্রঃ অন্যের মোবাইল বা কম্পিউটার দিয়ে ফেসবুক এ লগইন করার সময় কখনই “Keep me login” এ ক্লিক করবেন না । আর , পাসওয়ার্ড ও সেভ করবেন না ।
আশা করি উপকারে আসবে ।


টরেন্ট কি এবং কিভাবে টরেন্ট দিয়ে ডাওনলোড করা হয়

প্রথমেই যারা টরেন্ট সম্মন্ধে জানেন তাদের কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আর যারা জানেন না তাদের জন্যই এই পোষ্ট।
বর্তমানে ফাইল শেয়ার এর জন্য জনপ্রিয় মাধ্যম হলো টরেন্ট। কি নেই এখানে? আপনি যা চাইবেন তার সব কিছুই পাবেন টরেন্ট এর মাধ্যমে। গেমস, মুভি, মিউজিক ভিডিও, সফটওয়ার আরো কত কি।
 

প্রথমেই জেনে নিই কয়েকটি শব্দার্থ যা টরেন্ট এ ব্যাবহার করা হয়।
Torrent কি : P2P ফাইল শেয়ার ।
P2P কি : Peer 2 Peer .
Peer কি : যে একি সময়ে ডাওনলোড ও আপলোড করে।
Seeds কি: যে আপলোড করে।
Client কি : যে সফটওয়ারের মাধ্যমে টরেন্ট ডাওনলোড করা হয়।
Tracker কি : যে সার্ভারে টরেন্ট ফাইলটা রাখা হয় অর্থাৎ ট্র্যাকার হলো মাধ্যম।

 


বুঝতেই পারছেন টরেন্ট দিয়ে যে ফাইলটা নামাবেন সেটার নিজস্ব কোন সার্ভার নেই। সে ফাইলটা আসছে আপনার মতই কারো পিসি থেকে। আপনি যখন কোন ফাইল ডাওনলোড করবেন, ঠিক একই সময় সে ফাইলের ডাওনলোড করা অংশ টুকু অন্য একজন আপনার পিসি থেকে নিতে থাকবে, যেমনটা আপনি ওর পিসি থেকে নামাচ্ছেন। টরেন্ট এর ডাওনলোডের গতি শুধু আপনার নেটের গতির উপর নির্ভর করে না। ধরে নিচ্ছি আপনার ১ মেগা ব্রড ব্র্যান নেট কানেকশন আছে। আপনার নরমাল ডাওনলোড গতি হওয়া উচিৎ ১০০ কেবি থেকে ১৫০ কেবি। কিন্তু আপনি টরেন্ট সে গতি নাও পেতে পারেন। যত বেশী Seeds ও Peers পাবেন তত বেশী গতি পাবেন ডাওনলোড এ। Seeds ও Peers রা যদি স্লো গতির নেট ইউজ করে, তাহলেও আপনি ডাওনলোড গতি বেশী পাবেন না।

অন্য দিকে আপনি একজন বা দুইজন Seeds ও Peers পেয়েছেন, তাদের নেটের গতি বেশী হলে Seeds ও Peers কম হওয়া সত্বেও আপনি ডাওনলোড গতি ভাল পাবেন।


যাই হোক এবার আসি কিভাবে ডাওনলোড করবো।


টরেন্ট ডাওনলোড করার আগে কয়েকটা কথা আপনাকে মনে রাখতে হবে। যেহেতো ফাইলগুলো অন্য কোন ইউজারের পিসি থেকে আসছে, তার পিসিতে ভাইরাস থাকলে সে ফাইলের সাথে আপনার পিসিতেও ভাইরাস আক্রমন করতে পারে। তাই সতর্ক থাকুন।

 

১/ ভাল এন্টিভাইরাস সফটওয়ার ব্যাবহার করুন।
২/ এন্টি ভাইরাস নিয়মিত আপডেট করুনএবং সে সময় এন্টিবাইরাস এনাবল রাখুন।
৩/ টরেন্ট ফাইলের সাথে দেয়া সন্দেহজনক কোন সাইট এ যাবেন না। কারন সে সাইট গুলোতে ভাইরাস থাকে। (সব ফাইলে থাকে না)
৪/ আপনার প্রয়োজনীয় ফাইলটা ছারা অন্য ফাইলে ডাবল ক্লিক করবেন না। এন্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করে সন্দেহ মুক্ত হতে পারেন।
৫/ ফাইলটা পুরোপুরি ডাওনলোড হওয়া না পর্যন্ত রিনেম বা মুভ করবেন না।
৬/ মুভি ফাইল গুলো অনেক সময় অর্ধেক ডাওনলোড হলে প্লে করা যায়, এ ক্ষেত্রে অনেক সময় প্লে করলে সে ফাইলটা করাপ্ট হয়ে যায় এবং পরে আর ডাওনলোড হয় না।


যাই হোক এবার আসি কিভাবে টরেন্ট ডাওনলোড করা হয়।


প্রথমেই আপনাকে ডাওনলোড করতে হবে টরেন্ট ক্লাইন্ট। অনেক ক্লাইন্ট পাওয়া যায় এবং এগুলোর প্রায় সব গুলাই ফ্রি।
ধরে নিচ্ছি আপনি টরেন্ট ক্লাইন্ট হিসেবে Utorrent ব্যাবহার করছেন। তুলনামূলক হিসেবে Utorrent ফাইল সাইজে ছোট এবং এটা ইনষ্টল করতে Java এর প্রয়োজন নেই। ডাওনলোড করতে এখানে ঘুরে আসুন।

এবার আপনাকে আপনার কাঙ্খিত ফাইল পেতে যে কোন ট্র্যাকারের সাইটে যেতে হবে।
নিচে কয়েকটা ট্র্যাকারের নাম দেয়া হল:



আরো অনেক Tracker আছে, গুগলে সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন। আরো সহজ পদ্ধতি দেই। প্রয়োজনীয় ফাইল আপনি আরো সহজেই খুজতে পারেন সরাসরি গুগলের মাধ্যমেই, আপনি যে ফাইলটা চান সে ফাইলের শেষে একটা স্পেস দিয়ে torrent লিখে গুগলে সার্চ দিন। বিভিন্ন Tracker থেকে গুগল আপনাকে সে ফাইলটা খুজে দিবে।
টরেন্ট ফাইল সার্চ দিলে অনেক গুলো ফাইল আসবে, আপনি সেখান থেকে প্রয়োজনীয় ফাইলে ক্লিক করুন। ছবি নিচে। 



এবার ডাওনলোড করুন।



ফাইলে ক্লিক করলে অপশন আসবে কি করবেন বা কোন সফটওয়ারের মাধ্যমে সে ফাইলটা ওপেন করবেন।
যেমন ফায়ারফক্সে আসবে



IE তে আসবে-



ফাইলটা ডাওনলোড শেষ হলে এবার সিলেক্ট করুন টরেন্ট ক্লাইন্ট সফটওয়ার। অথবা Save করে রেখে দিতে পারেন পিসিতে। পরে সুযোগ বুঝে ডাওনলোড করতে পারনে। 


এখানে আপনি ফাইলটা কোথায় সেইভ করবেন সেটা সিলেক্ট করতে পারবেন। ডিফল্ট হিসেবে মাই ডকুমেন্ট এ সেইভ হবে। সে টরেন্ট ফাইলে কি কি ফাইল আছে, সো করবে, যে ফাইলটা দরকার সেটাতে মার্ক বহাল রাখতে পারেন, আর না চাইলে উঠিয়ে দিতে পারেন।

এবার ডাওনলোড শুরু হবে। যেমনটা আগেই বলেছি Seeds বা Peers বেশী হলে ডাওনলোডের গতি বেশী পাবেন। আর কম হলে গতি কম পাবেন। সেখানে ট্র্যাকারের নাম ও দেখতে পাবেন। 








সংগৃীত সূত্রঃ বাঁধ ভাঁঙার আওয়াজ
লিখেছেনঃ নাজমুল হক

খন্ড খন্ড ভিডিও ফাইল জোড়া লাগানোর উপায়

আমরা অনেক সময় বিভিন্ন সিনেমা বা ভিডিও নেট থেকে ডাউনলোড করি। কিছু কিছু সাইটে কখনও কখনও দেখা যায় যে সম্পূর্ণ সিনেমা বা ভিডিওটা একটা Single File থাকে না। অর্থাৎ পুরো সিনেমাটা কয়েকটা ভাগে ভাগ করা থাকে। প্রত্যেকটা ভাগ (part) আলাদা আলাদা করে ডাউনলোড করতে হয় পুরো সিনেমাটা দেখার জন্য। আবার ডাউনলোড করার পর দেখা যায় শুধুমাত্র প্রথম পর্বটাই (part-1) প্লে (play) হচ্ছে কিন্তু বাকি গুলো প্লে হয়না। এমন কি কোন ভিডিও ফাইলের মত্ আইকোন বা ফরমেটও দেখায় না। এখন উপায়? এত কষ্ট করে, MB খরচ করে ডাউনলোড করা সিনেমাটা দেখতে পারবনা! মনটা খারাপ হয়ে যাওয়াটায় স্বাভাবিক। কিন্তু মন খারাপ করার কোনই কারণ নেই, কেননা এমন সব খন্ড খন্ড পর্বে বিভক্ত ডাউনলোড করা ভিডিও ফাইলগুলেকে একটা সিঙ্গেল (Single) ফাইলে খুব সহজেই কনভার্ট করা যাবে hjsplit নামে মাত্র ১৯০KB এই ছোট একটা সফটওয়ার দিয়ে। সফটওয়ারটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। 

ফেসবুকে বিরক্তি থেকে বাঁচার উপায়

ফেসবুকে কোনো বন্ধুর বাড়াবাড়ি, অ্যাপ্লিকেশন, ইভেন্টের আমন্ত্রণে বিরক্তি চরমে উঠেছে? খুব সহজেই বিরক্তির বিষয়গুলোকে ব্লক করতে পারেন আপনি। ব্লক করতে হলে সেটিংস থেকে প্রাইভেসি সেটিংসে যান। সেখানে ‘হাউ ডু আই স্টপ সামওয়ান ফ্রম বদারিং মি’ নির্বাচন করে যাকে ব্লক করতে চান তার নাম বা ই-মেইল অ্যাড্রেস দিন। যাকে ব্লক করছেন তাকে ফেসবুক কোনো নোটিফিকেশন দেবে না। ব্লক করে দিলে সে ব্যক্তি আর আপনার প্রোফাইল দেখতে পারবে না বা আপনাকে বার্তা পাঠাতে পারবে না। সে আপনার কোনো স্ট্যাটাসে মন্তব্যও করতে পারবে না। আপনার বন্ধু তালিকা থেকে সে সরে যাবে।