হাসির ভিডিও (Funny Videos)

হাসতে নাকি জানে না কেও কে বলেছে ভাই?
এই দেখোনা কত হাসির ভিডিও হয়ে যায়।
কেউ উল্টে পড়ে ঘোড়ার পিঠে, কেউ পড়ে চেয়ার ভেঙে
গরু, ছাগল এসে দেখ কেমন গুতা দিয়ে যায়। :P :)





ঈদে মেহেদীর ডিজাইন

আর কয়দিন পরই ঈদ। আর ঈদ মানেই কতশত আনন্দ। নতুন নতুন জামা কাপড় কেনা-কাটা, নানা রকম খাবার-দাবার রান্নার আয়োজন, কোথায় কোথায় বেড়াতে যাব তার প্লানিং। আর সাজুগুজু তো আছেই একটা বিশাল অংশ জুড়ে। আর আদিকাল থেকেই ঈদের সাজসজ্জার মাঝে মেয়েদের হাতে মেহেদী দেওয়াটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।তাই কিছু মেহেদীর ডিজাইন নিয়ে হাজির হলাম এবার এই পোষ্টে। আশা করি ভালো লাগবে। 








ছবির কার্টিসিঃ Aapon's Unique Mehendi

Video Documentary on bti Blocks - Maasranga TV

Maasranga Television News presented a feature on use of hollow blocks in construction as alternative to burnt bricks. Building technology and ideas ltd has a manufacturing plant of these blocks which are currently used in our construction projects.These hollows blocks have been found to be cost saving as well as environment friendly.

Looking to buy a ready apartment?

Looking to buy a ready apartment? Casilda would make the perfect home for you in the superb location of Bashundhara R/A. It features single unit apartments with 3 bedrooms suited for a comfortable lifestyle. Want to know more about this apartment? Visit http://www.btibd.com/property/casilda/ or call 09613191919


ফ্যামিলি পিকচার দিয়ে বানিয়ে ফেলুন আপনার মনের মত ক্যালেন্ডার

নিজের পছন্দের ছবি বা ফ্যামিলি পিকচার দিয়ে ক্যালেন্ডার বানাতে চান? এটা অনেক সফটওয়্যার দিয়েও করা যায়,তবে এটা বেশি সহজ
প্রথমে এই সাইটে যান
এরপর ক্যালেন্ডারে যে ছবি দেবেন সেটা আপলোড করুন, মাস এবং সাল বসান এবার ক্রিয়েট করুন দেখবেন আপনার ক্যালেন্ডার রেডি হয়ে গেছে
এবার সেভ করে নিন,যতক্ষণ না আপনার মনের মত হয় ততক্ষন চেঞ্জ করে যান ভাল দেখে ১২ মাসের ১২ টা পেজ প্রিন্ট করিয়ে নিয়ে আসুন

“পর্চা”, “দাগ”, “খতিয়ান”, “মৌজা”, “জমা খারিজ”, “নামজারি”, “তফসিল” কাকে বলে??? এবং জেনে নিন ভূমি বিষয়ক জরুরী সব তথ্য..





“নামজারী” কাকে বলে?

ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।

“জমা খারিজ”কাকে বলে?
যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।

“খতিয়ান” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক। আমাদের দেশে CS, RS, SA এবং সিটি জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। এসব জরিপকালে ভূমি মালিকের তথ্য প্রস্তত করা হয়েছে তাকে “খতিয়ান” বলে। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান…
খতিয়ান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

“পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হ তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।

“মৌজা” কাকে বলে?
যখন CS জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।

“তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।

“দাগ” নাম্বার কাকে বলে?
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়।

“ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।

“খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।



“আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।

“কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।

“খাজনা” ককে বলে?সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য  যে কর আদায় করে তাকে  খাজনা বলে।

“দাখিলা” কাকে বলে?
ভূমি কর/খাজনা আদায় করে যে নির্দিষ্ট ফর্মে ( ফর্ম নং১০৭৭) ভূমি কর/খাজনা আদায়ের প্রমান পত্র বা রশিদ দেওয়া হয় তাকে দাখিলা বলা হয়।

DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।

“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।

“নাল জমি” কাকে বলে?
২/৩ ফসলি সমতল ভূমিকে  নাল জমি বলা হয়।

“খাস জমি” কাকে বলে?
সরকারের ভূমি মন্ত্রনালয়ের আওতাধিন যে জমি সরকারের পক্ষে কালেক্টর বা ডিসি তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি বলে।



“চান্দিনা ভিটি” কাকে বলে?
হাট বাজারের স্থায়ী বা অস্থায়ী  অকৃষি জমির যে অংশ  প্রজার প্রতি  বরাদ্ধ দেওয়া হয় তাকে চান্দিনা ভিটি বলে।

“ওয়াকফ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান অনুযায়ী কোন ভূমি তার মালিক কর্তৃক  ধর্মীয় ও সমাজ কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের ব্যয় ভার বহন করার উদ্দেশ্যে কোন দান করাকে ওয়াকফ বলে

“মোতয়াল্লী” কাকে বলে?
যিনি ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান  করেন তাকে মোতওয়াল্লী বলে। ওয়াকফ প্রশাসকের অনুমতি ব্যতিত মোতওয়াল্লী  ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে না।

“দেবোত্তর” সম্পত্তি কাকে বলে?
হিন্দুধর্ম মতে, ধর্মীয় কাজের জন্য উৎসর্গকৃত ভূমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি বলে।

“ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।

“ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।

“সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।

“পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।

“দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।


Source: Advocate Regan

খাদ্যের পুষ্টি সংরক্ষণ

রান্নার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে খাদ্যকে নরম, সুস্বাদু , সুপাচ্য ও জীবানুমুক্ত করা। রান্নার পূর্বে কিছু কাজ করা দরকার যেমন খাদ্য বস্তু কে কাটা, ধোয়া, পরিষ্কার করা ইত্যাদি  এবং এর পরেই সেদ্ধ করে, ভেজে কিংবা ফুটিয়ে খাদ্যটিকে রান্না করা হয়। কিন্তু খাদ্যকে রান্নার জন্য প্রস্তুত করার সময় এর কিছু পুষ্টি উপাদান নষ্ট হয়ে যায়, আর বাকি যতটুকু থাকে তার মধ্যে রান্নার সময় হারিয়ে যায় আরও কিছু অংশ। খাদ্যের পুষ্টি উপাদান যেন কম নষ্ট হয় সে জন্য কিছু উপায় রয়েছে। আজকে সেই বিষয় গুলোর প্রতি একটু আলোকপাত করা যাক।


 আগে জেনে নিই সেই বিষয় গুলো যা পুষ্টি উপাদান নষ্ট হতে সাহায্য করে।

১. পানিঃ খাদ্যবস্তু  ধোয়ার সময় পানিতে দ্রবণীয় কিছু ভিটামিন নষ্ট হয়ে যায়, যেমন ‘বি’ এবং ‘সি’। চালের উপাদান থায়ামিন চাল ধোয়ার পানিতে, ভাত এর মাড় ফেলার সাথে  চলে যায়।

২. উত্তাপঃ খাদ্যে উত্তাপ দিলে কিছু সেনসেটিভ ভিটামিন উড়ে যায়, নষ্ট হয়ে যায়। যেমন ভিটামিন এ, সি। তাছাড়া আকৃতি সহ রং নষ্ট হয়ে যায় এবং প্রোটিন জমাট বেঁধে যায়।

৩.আলো ও অক্সিজেনঃ বাতাসের সংস্পর্শে ভিটামিন সি নষ্ট হয়। তাছাড়া ফল ও সবজি কেটে রাখলে তা কালো হয়ে যায় অক্সিজেন এর প্রভাবে। দুধ ও শাকসবজির ভিটামিন বি আলোতে নষ্ট হয়ে যায়।

বিভিন্ন খাদ্যবস্তু বিভিন্ন পদ্ধতিতে রান্না করা হয়। কোন পদ্ধতি অবলম্বনে অপচয় কম হবে, খাদ্য মূল্যের সংরক্ষণ কিছুটা হলেও করা যাবে তা আলোচনা করা হল।

১. শাক-সবজি ও ফল ধুয়ে কাটতে হবে। তবে খোসার নিচেই পুষ্টি উপাদান বেশি থাকে, তাই খোসা সমেত কাটলে ভালো। রান্নার পর খোসা ফেলে দেয়া যায়। আলু অবশ্যই খোসা সমেত সেদ্ধ করা উচিত।

২.রান্নার সময় খাবার ঢেকে রান্না করলে পুষ্টি উপাদান খাবারে থেকে যায় এবং উদ্বায়ী পুষ্টি উপাদান গুলো নষ্ট কম হয়ে থাকে। উচ্চ তাপে অল্প সময়ে, তরকারির টুকরা ডুবে এমন পানি দিয়ে রান্না করলে রং, গন্ধ, আকৃতি তুলনামূলক ঠিক থাকে। অনেক্ষণ ধরে সেদ্ধ করলে রং গন্ধ সবই নষ্ট হয়ে যায়।

৩. ভাতের মাড় ফেলে দেয়া উচিত নয়। কারণ মাড়ে প্রচুর শর্করা ও ভিটামিন থাকে। তাই এমন পরিমাণ পানি দেয়া উচিত যাতে মাড় ফেলতে না হয়।

৪. মাংস ও কলিজা সেদ্ধ পানি কখনো ফেলে দিতে হয় না, কারণ এতে এদের নির্যাস ও খনিজ উপাদান পানির সাথে চলে যায়।

৫. খাদ্য কেনার পর পরই তা সংরক্ষণ করা উচিত। মাছ, মাংস তাড়াতাড়ি ধুয়ে, পরিষ্কার করে রেফ্রিজেরেটর এর মধ্যে রেখে দিতে হবে। শাক সবজিও ঠাণ্ডা জায়গায় রাখতে হবে।

৬. শাক সবজি যতদূর সম্ভব কাঁচা খাওয়া ভালো। শশা, গাজর, টমেটো, লেটুস পাতা এগুলো কাঁচা খাওয়া উত্তম।

৭. তেলে ভাজা খাবার ভাজা খুবই মজা লাগে কিন্তু একই তেলে বারবার ভাজা হলে সেই তে্ল বিষাক্ত হতে থাকে। একাধিক বার একই তেলে ভাজা হলে তা শরীরের ক্ষতি করে। তাই তেলের পরিমাণ এমন নেয়া উচিত যাতে সেই তেল রান্নার পর অবশিষ্ট না থাকে।

খাবার রান্না করে স্বাদ পেয়ে আঙ্গুল চাটতে থাকি আমরা, সেই সাথে খাবারের গুণগানে মনটাই ভালো হয়ে যায়। কিন্তু সেই খাবারটিই যদি হয় সর্বোচ্চ পুষ্টি গুণ সম্পন্ন তাহলেই তা হবে পরিপূর্ণ গুণের অধিকারী। আর সেই জন্য চাই শুধু একটু সচেতনতা।

লিখেছেনঃ ফারিয়া ইসলাম

এই গরমে শান্তির ঘুম পেতে যে ৪ টি কাজ করবেন

কাজ-১
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে গোসল করুন। আমাদের দেহের তাপমাত্রা সাধারণের তুলনায় কমে গেলে আমাদের ঘুমাতে সুবিধা হয়। গোসল করলে আমাদের দেহের তাপমাত্রা কমে যায় ফলে ঘুম গভির হয়। যদি গোসল করতে না পারেন তবে পায়ের পাতা ভিজিয়ে ঘুমুতে যান। স্বস্তির ঘুম দিতে পারবেন।
কাজ-২
একটি ভারী পশমি কাপড় নিন। এটি পানিতে ভিজিয়ে ঘুমাতে যাওয়ার ১ ঘণ্টা আগে ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিন। ঘুমুতে যাওয়ার সময় কাপড়টি ফ্রিজ থেকে বের করে নিয়ে কপালে রেখে শুয়ে পড়ুন।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস্

১) গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে ভয় পাবেন না । অর্ধেকটা লেবু নিয়ে রস চুষে খেয়ে ফেলুন, কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাব।. 
২) পিঁপড়া শশা অপছন্দ করে। পিঁপড়ারউপদ্রবে শশা ব্যবহার করে দেখতে পারেন।. 
৩) ডিম তাড়াতাড়ি সেদ্ধ করতে গরম পানিতে লবন ব্যবহার করতে পারেন।. 
৪) কাপড়ে চুইংগাম? কীভাবে দূর করবেন? চিন্তার কোন কারন নেই। কাপড়কে এক ঘন্টা ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করুন। চুইংগামের গুষ্টি শুদ্ধ দূর হবে।. 
৫) সাদা কাপড়কে আরো সাদা করতে চান?গরম পানিতে লেবুর টুকরা দিয়ে ১০ মিনিট ডুবিয়ে রাখলেই হবে।. 
৬) কাপড়ে কালি পড়ে গেছে? চিন্তার কারন নেই। টুথ পেস্ট ঢেলে দিন। ভালকরে শুকান। তারপর ধুয়ে ফেলুন। ।।­