ফেসবুকের কমেন্টস এবং স্ট্যাটাসে দিন মজার মজার Emoticon.


আজকাল আমারা প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করি। আর সব সময় চেষ্টা করি মজার মজার স্টাটাস আপডেট দিতে। কে কত সুন্দর এবং মজার স্টাটাস দিতে পারবে তা নিয়ে রিতিমত গবেষনা আর পাল্লা চলে বলতে গেলে। কারণ যে যত সুন্দর আর মজার মজার স্টাটাস দিতে পারবে তার তত বেশি সুন্দর সুন্দর কমেন্টস মিলবে, বেশি বেশি লাইক পড়বে। আর কমেন্টস আর লাইক পেতে কারই না ভালো লাগে। আপনি স্টাটাস দিলেন আর কেউ কোন কমেন্টস বা কোন সাড়া শব্দ যদি না করে তাহলে তো অবশ্যই আপনার মনটা খারাপ হয়ে যায়। কি!! কথা গুলো তো ঠিকই বলছি- নাকি?!! আর সেজন্য আমরা সবসময় চেষ্টা করি কে কত আকর্ষনীয় ভাবে স্টাটাস দিতে পারি। এবং আজকাল শুধু সাধারন ভাবে স্টাটাস বা কমেন্টস লিখলেই হয়না। তার মাঝে বিভিন্ন ধরণের ইমোটিকন তো অবশ্যই দেওয়া চাই। ইমোটিকন ছাড়া স্টাটাস কেমন যেন খালি খালি লাগে। মনে হয় যেন লবন ছাড়া তরকারি। পুরোটায় পানসে। !! 

লাইক বাড়ানোর ফর্মুলাও হচ্ছে!

লাইক বাড়ানোর ফর্মুলাও হচ্ছে!
অনেকেই ফেসবুকে ও টুইটারে চমত্কার ছবি, সেলফি পোস্ট করার পরও বেশি লাইক না পেয়ে হতাশ হন। হয়তো বেশিদিন আর এই হতাশা থাকবে না। অনলাইন অ্যাকাউন্টের ছবি বা পোস্টে বেশি করে লাইক বাড়ানোর কৌশল নিয়ে চলছে গবেষণা। সম্প্রতি ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক মার্কিন গবেষক লাইক বাড়ানোর একটি নতুন ‘ফর্মূলা’ তৈরির দাবি করেছেন। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে আইএএনএস।

ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির শিক্ষার্থী আদিত্য খোসলা দাবি করেছেন, তাঁর উদ্ভাবিত ফর্মুলাটি ছবির বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ করে অনলাইনে সেটি জনপ্রিয় হবে কিনা তা নির্ধারণ করতে পারে।

সামাজিক নেটওয়ার্কের কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে এইচ.এস.সি পরিক্ষার্থীদের প্রিপারেশন

প্রতিবারের মত এবারো শুরু হয়েছে এইচ, এ, সি পরীক্ষা ২০১৪। তবে প্রতিবারের মত এবার ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্রিপারেশন অনেক খারাপ দেখা যাচ্ছে। তারা বিভিন্ন সামাজিক সাইটের পেছনে ফালতু সময় নষ্ট করছে।
এর প্রধান কারণ বিভিন্ন চক্র পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সামাজিক সাইটগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে বলে ছড়াচ্ছে। এছাড়াও অনেক ভুয়া প্রশ্নউত্তর দেখিয়েও অসৎ উপায়ে অর্থ উপার্জন করছেন। এসব কারনে প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিরূপ প্রভাব পরছে। তারা একটি প্রশ্ন কমন পাওয়ার আশাই সামাজিক এই সাইট গুলোর পিছনে মূল্যবান সময়গুলো ব্যায় করছে।
তিবারের
প্রতিবারের মত এবারো শুরু হয়েছে এইচ.এস.সি পরীক্ষা ২০১৪। তবে প্রতিবারের মত এবার ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্রিপারেশন অনেক খারাপ দেখা যাচ্ছে। তারা বিভিন্ন সামাজিক সাইটের পিছনে অনৈতিক সময় ব্যয় করছে।
এর প্রধান কারন, বিভিন্ন চক্র পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সামাজিক সাইটগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে বলে ছড়াচ্ছে। এছাড়াও অনেকে ভুয়া প্রশ্নউত্তর দেখিয়েও অসৎ উপায়ে অর্থ উপার্জন করছেন। এসব কারনে প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিরূপ প্রভাব পরছে।
তারা একটি প্রশ্ন কমন পাওয়ার আশাই সামাজিক এই সাইট গুলোর পিছনে মুল্যবান সময় গুলো ব্যয় করছে।
- See more at: http://www.priyo.com/blog/2014/04/27/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95#sthash.9X8Uv1Z0.dpuf
প্রতিবারের মত এবারো শুরু হয়েছে এইচ.এস.সি পরীক্ষা ২০১৪। তবে প্রতিবারের মত এবার ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্রিপারেশন অনেক খারাপ দেখা যাচ্ছে। তারা বিভিন্ন সামাজিক সাইটের পিছনে অনৈতিক সময় ব্যয় করছে।
এর প্রধান কারন, বিভিন্ন চক্র পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সামাজিক সাইটগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে বলে ছড়াচ্ছে। এছাড়াও অনেকে ভুয়া প্রশ্নউত্তর দেখিয়েও অসৎ উপায়ে অর্থ উপার্জন করছেন। এসব কারনে প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিরূপ প্রভাব পরছে।
তারা একটি প্রশ্ন কমন পাওয়ার আশাই সামাজিক এই সাইট গুলোর পিছনে মুল্যবান সময় গুলো ব্যয় করছে।
- See more at: http://www.priyo.com/blog/2014/04/27/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95#sthash.9X8Uv1Z0.dpuf
প্রতিবারের মত এবারো শুরু হয়েছে এইচ.এস.সি পরীক্ষা ২০১৪। তবে প্রতিবারের মত এবার ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্রিপারেশন অনেক খারাপ দেখা যাচ্ছে। তারা বিভিন্ন সামাজিক সাইটের পিছনে অনৈতিক সময় ব্যয় করছে।
এর প্রধান কারন, বিভিন্ন চক্র পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সামাজিক সাইটগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে বলে ছড়াচ্ছে। এছাড়াও অনেকে ভুয়া প্রশ্নউত্তর দেখিয়েও অসৎ উপায়ে অর্থ উপার্জন করছেন। এসব কারনে প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিরূপ প্রভাব পরছে।
তারা একটি প্রশ্ন কমন পাওয়ার আশাই সামাজিক এই সাইট গুলোর পিছনে মুল্যবান সময় গুলো ব্যয় করছে।
- See more at: http://www.priyo.com/blog/2014/04/27/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95#sthash.9X8Uv1Z0.dpuf

যে ঝুঁকি রেখে গেল এক্সপি!

যে ঝুঁকি রেখে গেল এক্সপি!
৮ এপ্রিল শেষ হয়ে গেল মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ এক্সপির সব হালনাগাদ সেবা। মাইক্রোসফটের এই পদক্ষেপে বিপদের ঝুঁকিতে পড়ে গেলেন অনেক এক্সপিনির্ভর কম্পিউটার ব্যবহারকারী। বিশ্বের প্রায় ৩০ শতাংশ কম্পিউটারে এখনও এক যুগ আগের এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমটি ব্যবহূত হচ্ছে।
এক্সপির হালনাগাদ সেবা বন্ধে ব্যবহারকারীদের জন্য কী ঝুঁকি থাকল? যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান নিওপসিসের পরামর্শক প্যাট্রিক থমাস জানিয়েছেন, ‘সাইবার দুর্বৃত্তদের এখন আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে নিরাপত্তা বলয়হীন এক্সপি।’
২০০১ সাল থেকে মাইক্রোসফট মাত্র কয়েকটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম উন্মুক্ত করেছে। কিন্তু এক্সপির জনপ্রিয়তা ও স্থায়িত্ব এক যুগেরও বেশি সময় ধরে টিকে থেকেছে। বিশ্লেষকেরা বলেন, কোনো কম্পিউটার যদি পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে টিকে থাকে তবে ধরে নিতে হবে তাতে অবশ্যই এক্সপি রয়েছে।

বিনা পয়সায় উইন্ডোজ দিচ্ছে মাইক্রোসফট!

বিনা পয়সায় উইন্ডোজ দিচ্ছে মাইক্রোসফট!
উইন্ডোজ ফোনভারতীয় মোবাইল ফোন নির্মাতাদের কাছে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কোনো পয়সা নিচ্ছে না মাইক্রোসফট। টাইমস অব ইন্ডিয়া এক খবরে জানিয়েছে, ভারতে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর পণ্যের বাজার বাড়াতে একাধিক মোবাইল ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের লাইসেন্স ফি ছেড়ে দিচ্ছে।
কম দামে উইন্ডোজ ফোন বাজারে আনতে কয়েকটি ভারতীয় মোবাইল ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি।
বিভিন্ন সূত্রের বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়া দাবি করেছে, উইন্ডোজের লাইসেন্স ফি ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় ভারতের দুটি প্রতিষ্ঠান উইন্ডোজনির্ভর মোবাইল ফোন তৈরিতে রাজি হয়েছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়াকে একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘উইন্ডোজ ফোন জনপ্রিয় করতে নতুন পরিকল্পনা করেছে মাইক্রোসফট। এখন মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ বুঝতে পেরেছে যে অপারেটিং সিস্টেমের জন্য ফি দিয়ে স্মার্টফোন তৈরি করতে চাইছে না কেউ। যে পুরোনো মডেলগুলোতে লাইসেন্স ফি দিয়ে অপারেটিং সিস্টেম চালাতে হয় তা বাজারে এখন জনপ্রিয় নয়। নকিয়ার সমর্থন নিয়েও তা জনপ্রিয় করতে পারেনি মাইক্রোসফট।’
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমটির দাবি যদি সত্যি হয় তবে, মাইক্রোসফট তাদের পুরোনো পরিকল্পনা থেকে সরে আসবে। উইন্ডোজের লাইসেন্স ফি থেকে মাইক্রোসফটের যে পরিমাণ আয় হয় তা কমে যাবে। মাইক্রোসফট তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান নকিয়ার কাছ থেকে পর্যন্ত উইন্ডোজের লাইসেন্স ফি আদায় করে। উইন্ডোজের লাইসেন্স ফি থেকে কত আয় করে মাইক্রোসফট? ২০১২ সালে স্মার্টফোন নির্মাতা জেডটিইয়ের এক নির্বাহী জানিয়েছিলেন, উইন্ডোজ ফোন ৭ এর লাইসেন্স ফির জন্য ২৫ মার্কিন ডলার থেকে ৩৩ মার্কিন ডলার পর্যন্ত আদায় করত প্রতিষ্ঠানটি।

অবশ্য ভারতীয় মোবাইল ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিনা মূল্যে উইন্ডোজ সরবরাহ করা হবে কি না সে বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ।