Basic to Advance MS Excel in Bangla/Bengali (Series)

Basic to Advance Excel in Bangla || Part - 01|| : Introduction of Excel



Basic to Advance Excel in Bangla || Part - 02 || Formatting Worksheets


Basic to Advance Excel in Bangla || Part - 03 || Auto Fill of Excel

Basic to Advance Excel in Bangla || Part - 04 || Custom Fill   

Basic to Advance Excel in Bangla || Part - 05 || Flash Fill দিয়ে শতশত নামের Last Name বের করুন

Basic to Advance Excel in Bangla || Part - 06 || সংখ্যার আগে কিভবে BDT ‍sign Add করবেন?

Basic to Advance Excel in Bangla || Part - 07|| How to format cells in excel 2016   


মোবাইলের ব্যাটারি ও চার্জ নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণাগুলো জেনে নিন



সারারাত ফোন চার্জ দিয়ে রাখা কি অনুচিত? স্মার্টফোন পুনরায় চার্জ দেয়ার জন্য আপনার কি সম্পূর্ণ চার্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত? পাওয়ার সেভিং মুড কখন ব্যবহার করবেন? মোবাইল চার্জ দেয়ার সময় কি ফোন ব্যবহার করা উচিত? এরকম অনেকগুলো বিষয়ে বিভিন্ন ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে। চলুন দেখে নিই এরকম ১০টি ভুল ধারণা এবং সেগুলোর সঠিক তথ্যও জেনে নিই।

ভুল ধারণা ১ – সারারাত ফোন চার্জে লাগিয়ে রাখা অনুচিত।

সঠিক তথ্যঃ অনেকেই দিনে ফোন চার্জে দেয়ার সময় পাননা। তারা রাতে ঘুমানোর আগে স্মার্টফোনটি চার্জে রেখে দিতে পছন্দ করেন। সাধারণত এতে ফোনের ক্ষতি হওয়ার কিছু নেই। মোবাইল ফোনের স্মার্ট প্রযুক্তি আপনার ফোনে সম্পূর্ণ চার্জ হওয়ার পর এর ব্যাটারিতে আর চার্জ দেওয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করে দেয়। যদি চার্জ কখনো একটু পড়ে যায়, তাহলে ফোন সেই চার্জটুকু চার্জার থেকে আবার পূরণ করে নেয়। আরেকটা কথা, ফোনে যদি কোনো সমস্যা থাকেই, তাহলে সেটা চার্জ দিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা না রাখলেও কয়েক মিনিটেও সেই সমস্যা দেখা দিতে পারে। এজন্য, ঘুমানোর সময় বিছানায় ফোন নিয়ে চার্জ না দেয়াই ভালো। তাহলে ফোনে আগুন লাগা বা এ জাতীয় দুর্ঘটনা থেকে নিজে অন্তত নিরাপদ থাকতে পারেন।

ভুল ধারণা ২ – ফোন সবসময় পাওয়ার সেভিং বা লো পাওয়ার মুডে ব্যবহার করা ভালো।

সঠিক তথ্যঃ পাওয়ার সেভিং বা লো পাওয়ার মুড আপনার ফোনে রাখা কোনো সফটওয়্যারের কোনো ক্ষতি করেনা, কিন্তু এই ফিচার চালু করলে আপনি ফোনের সম্পূর্ণ সুবিধা পাবেননা। ফোনগুলো মূলত আপনাকে সর্বোত্তম অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। যখন আপনি ফোনের ব্যাটারি সেভিং মুড চালু করেন, তখন ফোনের বেশিরভাগ ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ্লিকেশন বন্ধ হয়ে যায়। ডিসপ্লের আলো কমে যায়, যা আপনার দেখতে সমস্যা সৃষ্টি করে, ফোনের সাউন্ড ততটা জোড়ালো থাকেনা যতটা আপনি হয়ত পছন্দ করেন। নোটিফিকেশন প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। সুতরাং আপনি তাৎক্ষণিক তথ্য পাবেননা। তাই ব্যাটারি/পাওয়ার সেভিং মুড শুধুমাত্র তখনই চালু করা উচিত যখন ফোনের চার্জ একদম কমে যায় এবং আপনি শীঘ্রই ফোনে চার্জ দিতে পারছেননা।

ভুল ধারণা ৩ – পাবলিক চার্জিং পয়েন্টে ফোন চার্জ দেয়ায় ক্ষতির কিছু নেই।

সঠিক তথ্যঃ পাবলিক চার্জিং পোর্ট ব্যবহার আপনার স্মার্টফোনে থাকা তথ্যকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। যে কর্ড আপনি রেস্টুরেন্টে বা এয়ারপোর্টের পাবলিক চার্জিং পয়েন্টে দেখে থাকেন, সেগুলো তথ্য আদান প্রদানে সমর্থ। এগুলোতে ফোন কানেক্ট করলে হ্যাকাররা আপনার ফোনে থাকা বিভিন্ন কনটেন্ট যেমন, ইমেইল, টেক্সট, ছবি প্রভৃতি নিয়ে নিতে পারে। যদি আপনার প্রায়ই বাইরে থাকা অবস্থায় ফোন চার্জ দিতে হয়, তবে পোর্টেবল চার্জার বা পাওয়ার ব্যাংক সাথে রাখা আপনার জন্য ভালো উপায় হতে পারে।

ভুল ধারণা ৪ – নতুন ফোন/ফোনের ব্যাটারি ব্যবহারের পূর্বে ফোনকে টানা ৮ ঘন্টা চার্জ দেওয়া উচিত।

সঠিক তথ্যঃ আপনার ফোনে ইতোমধ্যেই কিছু চার্জ দেয়া আছে, এবং শুরুতে টানা ৮ ঘন্টা চার্জ দেয়ার ধারণাটি লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির ক্ষেত্রে খাটেনা। তবে প্রথমবার ব্যবহারের আগে ফোনে ফুল চার্জ করে নেয়া ভালো, তাতে এটি সেটাপ করার জন্য আপনার আর মাঝপথে চার্জ দেয়ার দরকার হবেনা।

ভুল ধারণা ৫ – ফোনের চার্জ সম্পূর্ণ শেষ না হলে চার্জ দেওয়া উচিত না।

সঠিক তথ্যঃ আসলে আপনার উচিত লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির চার্জ একদম শেষ হয়ে যাবার আগেই তা পুনরায় চার্জ দেওয়া। এধরনের ব্যাটারি তাদের ক্ষমতা সম্পর্কে জ্ঞাত থাকেনা, এবং যখন চার্জ দেওয়া হয়, তখন পূর্বের মত চার্জ হয়না-  বলেছেন স্যামসাংয়ে কর্মরত একজন ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার সের্জিও ফ্লোরেস। বড় কিছু নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এই সমস্যাটা কাটিয়ে উঠতে পেরেছে, কিন্তু এর পরও অনেক মডেলের ফোনে এই সমস্যা আছে।

ভুল ধারণা ৬ – একটি অ্যাপ্লিকেশন ব্যাটারির বেশি চার্জ খরচ করতে পারেনা।

সঠিক তথ্যঃ একটি অ্যাপও, যেমন ফেসবুক অ্যাপ, আপনার স্মার্টফোনের বেশিরভাগ শক্তি ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট। এমনকি আপনি ব্যবহার না করলেও। এসব অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে পারে বা করে থাকে। কিছু ব্যবহারকারীর মতে, ফেসবুক অ্যাপ্লিকেশন আনইনস্টলের ফলে ফোনের অন্য অ্যাপ আরো ১৫ শতাংশ দ্রুত কাজ করে ও ফোনের চার্জ ২০ শতাংশ বেশি সময় থাকে।

ভুল ধারণা ৭ – ফোন বন্ধ করার কোনো দরকার নেই।

সঠিক তথ্যঃ অনেক ব্যবহারকারী কাজের পর অ্যাপ্লিকেশন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করেননা, এতে অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ চালিয়ে যেতে পারে। যদিও সব অ্যাপ অনেক চার্জ নষ্ট করতে পারেনা কিন্তু যত চলতে থাকবে ততই ব্যাটারি লাইফ কমতে থাকবে। সপ্তাহে অন্তত একবার আপনি ফোনটি বন্ধ করে আবার চালু করুন, এটা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার- উভয়ের জন্যই ভাল।

ভুল ধারণা ৮ – চার্জে দেয়া অবস্থায় ফোন স্পর্শ করা উচিত না।

সঠিক তথ্যঃ আপনি নিশ্চিন্তে চার্জ দেবার সময় ফোন ব্যবহার করতে পারেন। স্যামসাং ইঞ্জিনিয়ার ফ্লোরেসের ভাষ্যমতে, যদিও আপনি যখন আপনার ফোন চার্জ দিচ্ছেন, এটি সবসময়ের মত ব্যাটারির ক্ষমতা ব্যবহার করেনা (চার্জার থেকে আসা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে)। তবে ফলাফল এবং সার্কিটের কার্যক্ষমতা সবসময় একই হয়।
অবশ্য, চার্জের সময় চালু থাকা বিভিন্ন অ্যাপে বাড়তি কাজ হলে স্মার্টফোনে চার্জ ফুল হতে দেরি হবে। তাই আপনি যদি দ্রুত চার্জ পেতে চান তবে চার্জিং সময়ে ফোন ব্যবহার না করা উচিত।

ভুল ধারণা ৯ – চার্জিং পোর্ট মিলে গেলেই যেকোনো চার্জার ব্যবহার করা যায়।

সঠিক তথ্যঃ অনেকে শুধুমাত্র ফোনের চার্জিং পোর্ট মিলে গেলেই যেকোনো চার্জারে ফোন চার্জ করেন। কিন্তু এসব চার্জার ফোনের ক্ষতি করতে পারে। সকল চার্জারে ভোল্টেজের সামঞ্জস্যতার সঠিক মান থাকেনা। বিদ্যুৎ প্রবাহ কম-বেশি হতে পারে। এতে ফোনের ব্যাটারি, এমনকি সার্কিট বোর্ড/চিপ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই আপনার উচিত ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সুপারিশকৃত চার্জার ব্যবহার করা।

ভুল ধারণা ১০ – একটানা ওয়াইফাই চালু রাখলে ব্যাটারির ক্ষতি হতে পারে।

সঠিক তথ্যঃ স্মার্টফোনের ওয়াইফাই চালু রাখলে এটি আশেপাশের ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক খুঁজতে থাকে। এভাবে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক অনুসন্ধানে নিশ্চয়ই চার্জ ব্যবহৃত হয়, তবে লক্ষ্য করার মত অতটাওনা। আপনার ফোন যখন ওয়াইফাই সিগনাল অনুসন্ধান করে তখন এটি নিজের সিগনাল ব্যবহার করে জানে যে এখানে ওয়াই ফাই আছে কিনা। কিন্তু এর মানে এই না যে আপনাকে সবসময় ওয়াইফাই বন্ধ করে চলতে হবে। তবে চার্জ দেয়ার সুযোগ কম থাকলে ও ব্যাটারি খরচ কম করতে চাইলে অব্যবহৃত অবস্থায় ওয়াইফাই/মোবাইল ডেটা বন্ধ করে রাখা ভাল।
আশা করি এই পোস্টটি আপনার কাজে লাগবে। আপনি কি এই তথ্যগুলো আগে জানতেন? কমেন্ট করার আমন্ত্রণ রইল!

Facebook isn't responding সমস্যার সমাধান

অনেক সময় আমরা দেখি যে ফেসবুক ব্যবহার করতে করতে হঠাৎ করেই আমাদের মোবাইলের স্ক্রীনে “Facebook isn't responding” এই ডায়ালগ বক্সটি হাজির হয়। যেটা খুবই বিরক্তিকর একটা বিষয়। এটা কেন হয় এবং এটার সমাধানের কি উপায় এটা জানতে  নিচের পোষ্টটি ভালমত মন দিয়ে পড়ুন।

কেন এমন হয়ঃ
* এটা সাধারণত ফোনের  মেমোরী (RAM & ROM both) সল্পতার কারনে হয়ে থাকে। যত দিন যাচ্ছে ফেসবুক তাদের এ্যাপটি তত আপডেট করছে। আর আপডেট এর সাথে সাথে নতুন কিছু ফিচার এ্যড হচ্ছে, যার কারণে এ্যপের সাইজও বাড়ছে। যেটা হয়ত আপনার এক বা দুই বছর আগে কেনা এনড্রয়েড ফোনটার মেমোরীর জন্য এখন একটু বোঝা বটে। আর এই বোঝা ঠিক মত বইতে না পাললে বা বইতে বইতে হাপায় গেলে,  অনেক সময় এমন ডায়ালগ দিয়ে থাকে আপনার প্রিয় এ্যন্ড্রয়েড ফোনটি।


সমাধাণঃ  এই সমস্যা থেকে সমাধান পেতে হলে হয় আপনাকে এখকার বাজারে আপডেটেড মোবাইলটি কিনে আনতে হবে অথবা নিচের ধাপগুলো ঠিক মত ফলো করতে হবে।
  1. যদি অপ্রয়োজনীয় কোন app থাকে বা যেগুলা বেশি ব্যবহার করার দরকার পড়েনা ওগুলা uninstall করে দিন।
  2. setting > Storage গিয়ে phone memory/Internal storage এ গিয়ে Cached data clear করুন।
  3.  এখানকার  স্কীন শট টা খেয়াল করে দেখুন - Internal Storage (phone memory) এর শুধু মাত্র Apps আইটেম টা বাদে সব প্রায় ফাকা(Free).
  4. আপনিও ঠিক এমন ভাবে ফোন মেমোরী ফাকা রাখার চেষ্টা করুন। Internal Storage (phone memory) এর প্রয়োজনীয় ডাটা মেমোরী কার্ডে অথবা গুগল ড্রাইভে সরিয়ে রাখুন।
  5. তারপর সেট Restart দিন।
  6. এরপরও সমস্যা দেখা দিলে, Facebook টা একেবারে uninstall করে আবার নতুন ভাবে install করুন।
  7. আশা করি সমস্যার সমাধান পাবেন।
আর উপরের টিপস্ গুলো শুধুমাত্র ফেসবুকের সমস্যার কারণে নয়। আপনার মোবাইলটিতে এমন অন্য কোন ভারি এ্যপস্ রান করতে করতে হঠাৎ যদি হ্যাঙ্গ করে বা এরকম Not Responding ম্যাসেজ দেখায়, সেটার ক্ষেত্রেও একই ভাবে উপরের ধাপগুলো অনুসরণ করুন। আশাকরি সমস্যার সমাধান হবে।

ধন্যবাদ
এ্যডমিন, ওয়ান-ক্লিক।



5 Time Saving Excel Features You Must Use

Excel এর অনেক inbuilt features আছে, যেগুলোর সঠিক ব্যবহার জানা থাকলে অফিসিয়াল কাজের ক্ষেত্রে আপনি আপনার অনেক মূল্যবান সময় save করতে পারবেন।
নিচের এই infographic তে আমি আমার প্রিয় top five Excel features শেয়ার করছি। যেগুলোর ব্যবহার খুব্যই সহজ এবং এগুলোর মাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই আমি আমার অনেক প্রয়োজনীয় অফিসিয়াল রিপোর্ট খুব অল্প সময়ে এবং নির্ভূল বানাতে পারি। তাই মূল্যবান সময় বাচাতে ও নির্ভূলভাবে Excel এর কাজ করতে আপনারও নিচের ফিচারগুলো অবশ্যই জেনে রাখা উচিত।





যদি উপরের ফিচারগুলো সম্পর্কে আরো বিস্তারিত কিছু জানতে চান বা বুঝতে সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই বিনা সংকোচে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

ধন্যবাদ
তাহামিদুর রহমান ফাহাদ
এডমিন - ওয়ান ক্লিক

মাত্র কয়েক মিনিটেই শত শত Phone Contact Number সেভ্ করুন।


মাত্র কয়েক মিনিটে খুব সহজেই আপনি আপনার Android ফোনে শত শত (চাইলে হাজার হাজার) Phone Contact Number সেভ্ করে ফেলতে পারেন নিমেষেই। এমনকি সেই প্রয়োজনীয় Phone Contact Number গুলোর একটা Backup file ও তৈরি হয়ে থাকবে আপনার কাছে। যদি কোন কারণে সব ফোন নম্বর মুছে বা হারিয়ও যায় তাহলে সেটা আপনি আবার মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ঠিক আগর মত ফিরে পেতে পারবেন। 

বিষয়টা প্রথমে কিছুটা অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। কারণ মাত্র একটা-দুইটা ফোন নম্বর ফোনে সেভ করতেই যেখানে সাধারণত আমাদের এক-দুই মিনিট সময় লেগে যায়, সেখানে মাত্র কয়েক মিনিটেই শত শত, এমনকি হাজার- হাজার ফোন নম্বর খুব সহজেই কিভাবে সেভ করা যাবে এমন প্রশ্ন অনেকের মাথায়ই আসতে পারে। নিচের টিউটোরিয়ালটা একটু মনোযোগ সহকারে পড়লেই আপনি আপনার প্রশ্নের উত্তরটা পেয়ে যাবেন। তাহলে আসুন আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক -

১। প্রথমে আপনি যেই নাম ও নম্বর গুলো আপনার ফোনে সেভ করতে চান (নিচের চিত্রের মত) সেটার একটা তালিকা MS Excel ফাইলে  তৈরি করুন (চাইলে অফিসের আগে থেকে তৈরি করে রাখা PABX List এর ফাইলটা কাজে লাগাতে পারেন।)এবং উক্ত ফাইলটি ডাটা ক্যাবেল বা অন্য কোন মাধ্যম আপনার মোবাইলের মেমোরিতে নিন।



২। এরপর আপনার মোবাইলের গুগল প্লে-ষ্টোর থেকে “Excel Contacts Export Import” নামের মাত্র ৭.৪ মেঃবাঃ এর এই ফ্রি এ্যপটা সার্চ করে, আপনার ফোনে ইনিষ্টল করে নিন।



৩। ইনিষ্টল করার পর এ্যপটা ওপেন করলে নিচের চিত্রের মত এই অপশন গুলো আসবে। যেখান থেকে “Import from Excel to Contacts" এই অপশনটাতে ক্লিক করতে হবে।

৪। উপরে উল্লেখিত অপশনটাতে ক্লিক করার পর নিচের চিত্রের মত আবার কিছু অপশন আসবে এবং সেখান থেকে  “Select an Excel file" এই অপশনটাত ক্লিক করে আগে থেকে তৈরি করে রাখা আপনার সেই Excel File টি নির্বাচন করুন।

৫। সঠিক ভাবে Excel File টি নির্বাচন করার পর নিচের চিত্রের মত আপনার তৈরি করা প্রথম Contact Number ও নামটি দেখাবে।


৬। এরপর "Save as a .vcf file" এই অপশনটাতে ক্লিক করলেই আপনার সব কন্টাক্ট নম্বরের জন্য একটি .vcf ফাইল তৈরি হয়ে যাবে। যেটা আপনার মোবাইলের ইন্টারনাল অথবা এক্সটারনাল মেমোরিতে সেভ হয়ে থাকবে। 

ব্যস্ আসল কাজ শেষ। এখন আপনি চাইলে এই .vcf (vCard)ফাইলটা দিয়ে যখন খুশি, যে এন্ড্রয়েড সেটে খুশি, যত বার খুশি আপনার সব Phone Contact Number মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে সেভ করে নিতে পারবেন। আপনি চাইলে ফাইলটি আপনার ইমেল বা পেন ড্রাইভে রেখে দিতে পারেন। কেননা যদি কোন কারণে দূর্ভাগ্য বশতঃ আপনার ফোনটা হারিয়ে যায় অথবা সব নম্বর মুছে যায়, সেক্ষেত্রে আপনি পুনরায় উক্ত ফাইলটা দিয়ে মাত্র ২-৩ সেকেন্ডর মধ্যে আপনার আগের সব সেভ করা নম্বর পূর্বের ন্যায় খুব সহজেই ফিরে পেতে পারবেন।

.vcf (vCard)ফাইল দিয়ে কিভাবে ফোনে সব নম্বর Import করবেন?

১। প্রথমে আপনার ফোনের "Contacts" অপশনে যান এবং নিচের চিত্রের যেখানে লাল বৃত্ত দিয়ে চিহ্নিত করা আছে সেখানে ক্লিক করুন।





২। এরপর যে অপশন গুলো আসবে সেখান থেকে "Import/Export" অপশনটাতে ক্লিক করুন।


৩। তারপর নিচের চিত্রের মত এই অপশন গুলো আসবে, সেখান থেকে আপনার ফোনের Internal / External (Memory Card) যেখানে vcf (vCard)ফাইলটা রাখা আছে সেটা নির্বাচন করুন এবং "Next" অপশনে ক্লিক করুন।



৪। পরবর্তী ধাপে " Phone Contact" অপশনটি Select করুন ও "Next" অপশনে ক্লিক করুন।




৫। Congratulations!! অাপনি সফল ভাবে সকল ধাপ পার করে আপনার সব Phone Contact Number সেভ্ করতে সক্ষম হয়েছেন।


------- এত বড় লেখা দেখে হয়ত মনে হতে পারে বিষয়টা অনেক জটিল ও কঠিন। আসলে বিষয়টা খুবই Simple । যেন সবাই সহজেই সম্পূর্ণ Process টা খুব সহজেই বুঝতে পারে সেজন্য একটু ভেঙ্গে ভেঙ্গে Details লিখেছি। তাই লেখাটা একটু বড় মনে হতে পারে। 


আমাদের অনেকেরই হয়ত ব্যক্তিগত বা অফিসিয়াল প্রয়োজনে অনেক সময় একসাথে একের অধিক Phone Contact Number ফোনে সেভ্ করার দরকার হয়ে পড়ে। সেক্ষেত্রে উপরের এই পদ্ধতির মাধ্যমে খুব সহজেই, কম সময়ে ও নির্ভূল ভাবে আপনি আপনার প্রয়োজনটি মেটাতে পারবেন।

< < ---------------------------------------------------- > >

ধৈর্য ধরে আমার আমার এই পোষ্টটি পড়ার জন্য সকলকে অনেক ধন্যবাদ। আর যদি এই পোষ্টটি ভাল লেগে থাকে বা কোন যায়গাতে বুঝতে অসুবিধা হয়, তবে অবশ্যই আপনাদের মূল্যবান Comment এর মাধ্যমে আমাকে জানাবেন। আপনাদের মূল্যবান Comments আমাকে পরবর্তীতে এরকম আরো অনেক টিপস্ বা টিউটরিয়াল লেখার বিষয়ে অনেক বেশি উৎসাহিত করবে।



সকলকে ধন্যবাদ
ফাহাদ রহমান


অফিসিয়াল কাজে টাইপিং এর গুরুত্ব ও টিউটোরিয়াল

আজকে আমার লেখার বিষয়বস্তু হল “টাইপিং”। “টাইপিং” কথাটা শুনলেই কর্পোরেট জগতের অনেকে হয়ত প্রথমে একটু নাক শিটকান। হয়ত এমনও মন্তব্য করেন যে, “টাইপিং শিখে কি হবে? কাজ পারলেই হলো।”

হ্যাঁ- কাজ তো প্রথমত আপনাকে পারতেই হবে। এর কোন বিকল্প নাই। কিন্তু একটু ভেবে দেখুন, আপনি আপনার কাজে বেশ দক্ষ, তার পাশাপাশি যদি আপনার টাইপিং এর উপরও ভাল দখল থাকে তাহলে তো সেটা সোনায় সোহাগা। কেননা এটা আপনার কাজে ভ্যালু এ্যাড করবে। 

ধরুন আপনি নিঃসন্দহে খুব ভাল কাজ জানেন, কোন কাজটা কিভাবে করতে হয় বেশ ভালো বোঝেন,  কিন্তু সেই কাজটা সম্পন্ন করতে যদি আপনার আরো ৫ জনের চাইতে বেশি সময় লাগে তাহলে দুঃখের সাথে বলতে হবে যে আপনি একজন Effective Employee হলেও Efficient Employee নন। কারণ Efficient বলতে আমরা বুঝি "Achieving maximum productivity with minimum input/expense/wastage." আর আমরা জানি যে সময়ও (time) একটি Input Factor. 

সেরা Employee মুলতঃ তিনিই, যিনি একই সাথে Effective (Successful in producing a desired or intended result.)এবং Efficient. তারমানে যিনি কম সময়ে বা কম সম্পদ ব্যবহার বা নষ্ট করে সঠিক, নির্ভূল ও সফল ভাবে চুড়ান্ত কাজ সমাধান করতে পারেন তিনিই Effective & Efficient Employee.

এতক্ষণে নিশ্চয় বিষয়টা পরিষ্কার যে টাইপিং কিভাবে আপনার কাজে ভ্যালু এ্যাড করবে। আপনি যদি দ্রুত ও নির্ভূল ভাবে টাইপিং করতে পারেন সেক্ষেত্রে সেটা অবশ্যই আপনার কাজের দ্রুততা আনবে। ঐ সময়টা আপনি আপনার অন্য একটা কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। আর যেহেতু আমাদের Core Value এর মধ্যেই একটা অংশে Speed of Work এর কথা বলা আছে সেহেতু বিষয়টা নিঃসন্দেহে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

যেহেতু অফিসিয়াল কাজে আমাদের অনেকেরই কম বেশি টাইপিং করতে হয়, সেহেতু চলুন আমরা যারা টাইপং - এ একটু কাঁচা তারা দেখে নি কিভাবে খুব সহজে মাত্র অল্প কিছুদিনের Practice এর মাধ্যমে টাইপিংটা আয়ত্ত করা যায়।

টাইপিং শেখার জন্য অনেক সুন্দর সুন্দর সফটওয়ার আছে বর্তমানে। কিন্তু সফটওয়ার খুজে আবার সেটা পিসিতে ইনষ্টল করাটাকে যারা একটু ঝামেলার বিষয় মনে করছেন তাদের জন্য নিচে একটা ওয়েব লিংক দিলাম। নিম্নোক্ত ওয়েব সাইটে গেলে আপনি খুব সহজেই অনলাইনে টাইপিং করাটা শিখতে পারবেন।

লিংকঃ অনলাইনে টাইপিং শিকতে এখানে ক্লিক করুন।


ভিডিওঃ



- ফাহাদ রহমান

স্মার্ট ফোনে ফটো এডিটিং এর এক নতুন চমক Snapseed !!

স্মার্ট ফোনে ফটো এডিটিং এর এক চমৎকার এ্যাপ Snapseed ।  এ্যাপটি  Nik Software কোম্পানির তৈরি।  iOS এবং Android ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই এই এ্যাপটির মাধ্যমে ফটো enhance ও digital filters করতে পারবেন।






এই এ্যাপটির মূল ফিচারগুলো হলোঃ

  • ইমেজ টিউন।
  • ক্রোপ।
  • ইফেক্ট এবং ইনহেন্সমেন্ট।
  • অটোমেটিক এ্যাডজাষ্ট কালার এন্ড কন্ট্রাস্ট।
  • বিভিন্ন রকমের ফিল্টার।
  • ইমেজ ডি.এস.এল. আর এর মত ব্লার করা।
  • ফটোতে সিগনেচার বা টেক্স এ্যড করা।
  • আরো অনেক কিছু।


এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা এই এ্যাপটি গুগোল প্লে স্টোর থেকে ফ্রি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

কিভাবে খন্ড খন্ড PDF ফাইল জোড়া লাগাবেন ও কনভার্ট করবেন?

অনেক সময় আমাদের বেশ কিছু পিডিএফ ফাইল একত্রে করা বা জোড়া লাগানো লাগে। যেমন ধরুন আপনি আপনার দরকারি কিছু কাগজ স্ক্যান করেছেন এবং পি.ডি. এফ ফর্মেটে কনভার্ট করেছেন। আর সেই আলাদা আলাদা ফাইল গুলো একত্রে রাখতে চাচ্ছেন।

কাজ টা করার জন্য বেশ কিছু সফটওয়ার আছে। তার মধ্যে যেগুলো নেট থেকে ফ্রি পাবেন তার বেশির ভাগেই ট্রাইল ভার্সন। অর্থাৎ কিছুদিন সেগুলো দিয়ে কাজ করা যাবে অথবা করা গেলেও সেই ফ্রি সফটওয়ার গুলোর কিছু লিমিটেশন আছে। যেমন ইচ্ছা মত সব পেইজের বা ফাইলের কাজ করতে পারবেন না। ফ্রি সফট্ওয়ার বা ট্রায়াল ভার্সন দিয়ে অল্প কিছু পেইজ জোড়া লাগাতে পারবেন। আর তাছাড়া ফ্রি সফটওয়ার ডাউনলোড করতে হবে আবার সেগুলো ইনিষ্টল করা এগুলো বেশ ঝামেলার কাজ।

সেক্ষেত্রে ঝামেলা ছাড়া খুব সহজেই কাজটি করতে পারেন। তার জন্য আপনার শুধু মাত্র ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেই যথেষ্ট। কাজটি করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। যে ওয়েব সাইট আসবে, এখান থেকে সহজেই অনলাইনে আপনি পছন্দ মত আপনার পি.ডি. এফ ফাইলগুলো জোড়া লাগাতে বা একত্র করতে পারবেন। তাছাড়া এই সাইট থেকে আপনি পি.ডি.এফ বিভিন্ন ফরমেটে কনভার্টও করতে পারবেন।

পোষ্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। পোষ্টটি আপনার কাজে লেগে থাকলে আমার লেখাটি সার্থক। আর লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন।

প্রতিনিয়ত সব নতুন পোষ্টের আপডেট ফেসকুকে পেতে আমার পেইজ লাইক ও ফলো করুন।

ফেসবুক পেইজঃ www.facebook.com/oneclick4alls



BD-[C:G.Phon]affwk32-bdgm16-smartphones_300x250

বদলে ফেলুন আপনার স্মার্ট ফোনের এক ঘেয়ে Lock সিস্টেম।

আজকাল প্রায় সবাই স্মার্ট ফোন ব্যবহার করেন। আর নিরাপত্তার খাতিরে আপনার প্রিয় ফোনটাকে লক করে রাখাটা খুবই জরুরী। যারা স্মার্ট ফোনের ফিচারগুলোর সাথে মোটামুটি ভাবে পরিচিত তারা নিশ্চয় তাদের প্রিয় ফোনটিকে লক করে রাখেন এবং ফোনকে লক করে রাখার জন্য ডিফল্ট হিসাবে ফোনের সিকিউরিটি সেটিং এ বেশ কিছু অপশন  দেওয়া থাকে সেগুলোও নিশ্চয় জানা আছে আপনাদের সবার। এই যেমন প্যটার্ন্ট লক, পিন লক, পাসওয়ার্ড ইত্যাদি।



এক ডিফল্ট লক গুলো ব্যবহার করতে করতে যদি বোরিং হয়ে যান, যদি এক ঘেয়ে লাগে তাহলে ব্যবহার করুন Knock Lock এই এ্যাপটি। খুব ছোট একটি এ্যপটি সহজেই ফ্রি পেয়ে যাবেন আপনার প্লে স্টোর থেকে। আজই ব্যবহার করুন আর নতুন লক সিস্টেমের এক্সপ্রিয়েন্স নিন।